
সাদ্দাম হোসাইন, হ্নীলা ॥
টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কেটে মাটি ও ভূমি বিক্রি বাণিজ্য অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে উপজেলার হোয়াইক্যং,বাহারছড়া,টেকনাফ সদর ও হ্নীলা ইউনিয়নের পাহাড় অধ্যূষিত এলাকায় পাহাড় কেটে মাটি ও ভূমি বিক্রির উৎসব চলছে। উপজেলার হ্নীলা দরগাহ পাড়াস্থ রাসুলাবাদ এলাকায় এই ধরনের একটি ঘটনায় প্রতিপক্ষের বসত-বাড়ি উচ্ছেদ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বাড়ির মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় সরকারী খাস খতিয়ানভূক্ত আর এসও এসএ ১নং খতিয়ানের আর এসনং-৪৫৯৬ দাগের মৃত হাকিম খলিফার পুত্র খলিল আহমদ হতে ৯ মার্চ ২০০৮ সালে দখল স্বত্বে ১৫ শতক জমি কিনে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বসত-বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। এমতাবস্থায় গত ২৫ ডিসেম্বর ১৪ সালে সকাল হতে খলিল ও তার পুত্র আব্দু শুক্কুর টিলা কেটে মাটি বাণিজ্য শুরু করে। এতে বাড়ির ক্ষতি হওয়ার আশংকায় বিবাদীদের নিষেধ করে সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করে। সামাজিক সুবিচার না পেয়ে টেকনাফ রেঞ্জ অফিস, ইউএনও, টেকনাফ থানা ও সর্বশেষ এএসপি সার্কেল বরাবরে আবেদন করে। এই ব্যাপারে হ্নীলা বনবিট কর্মকর্তা, টেকনাফ থানার এসআই কিবরিয়া ও এএসআই খাইরুল আলম পৃথকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাটি না কাটার নির্দেশ দিয়ে চলে যান। এই ঘটনার পর ভূমি দস্যুরা ফাতেমা প্রাণে মারার হুমকির পাশাপাশি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। তাদের নির্দেশ উপেক্ষা করে এখনো টিলা কেটে মাটি বিক্রি বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে। এভাবে চলতে থাকলে আসন্ন বর্ষায় মোঃ আব্দুল্লাহর স্ত্রী ফাতেমা খাতুনের বাড়িটি যেকোন সময় ধ্বসে পড়ে মারাতœক দূঘর্টনাসহ প্রাণহাণির আশংকা দেখা দিয়েছে।
এমতাবস্থায় অসহায় ফাতেমা টিলা ও পাহাড় কর্তনরোধে বনবিভাগসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আন্তরিক সহায়তা কামনা করেছে।
পাঠকের মতামত