প্রকাশিত: ২৮/১২/২০১৪ ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারের রেজু মোহনায় বেহাপনার শীর্ষে মারমেইড রিসোর্ট

??????????
ওবাইদুল হক আবু চৌধুরী,কক্সবাজার:
অবাজি এড়ে মাইয়া পুয়া লই আয় যেন মনে হয় এন গরে দে। টিআ থাইলে হন চিন্তা নাই। ও বাবাজি এখানে মেয়ে নিয়ে এসে যেমন মন চাই তেমনটি করে। টাকা থাকলে কোন চিন্তা নেই। এমনটি মন্তব্য করেছেন স্থানীয় বয়োবৃদ্ধ ফজলুল করিম। উখিয়া রেজু খালের মোহনায় পেঁচারদ্বীপ এলাকায় এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশে পর্যটকদের আকর্ষণের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে মারমেইড রিসোর্ট।

প্রাকৃতিক পরিবেশে ছোট্ট ছোট্ট রুমে এ মারমেইড রিসোর্সে থাকতে লাগে হাজার হাজার টাকা। এক রাত থাকতে গেলে প্রতিজনকে সর্বনিম্ম গুনতে হবে দু’হাজার পাঁচ শত থেকে ছয় হাজার টাকা। এতো কিছুর পরও বিভিন্ন বয়সী পর্যটকরা স্রোতের মতো আসেন রেজু খাল ও সাগরের কিনার ঘেষা এই মারমেইড রিসোর্সে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষনিক ব্যস্ত থাকেন এখানে দায়িত্বরত কর্মচারীরা। ছোট্ট একটি কক্ষের দিকে এ প্রতিবেদকসহ সাংবাদিকেরা যেতে চাইলে কর্মরত জনৈক কর্মচারী পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বলে যেতে বারণ করেন। এক দিকে চেক ইন। অন্যদিকে চলছে চেক আউট। এ সময়ে মারমেইড রিসোর্টটি খালি থাকে না।

মারমেইডে স্রোতের মতো আসাদের মধ্যে ঢাকা, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, দিনাজপুর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চলের তরুণ-তরুণীদের সংখ্যায় বেশী। মারমেট সূত্রে জানা গেছে, দেশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ও কিছু চিহ্নিত ব্যক্তি পর্যটক বেশে তাদের বডিগার্ড নিয়ে মারমেইড রিসোর্ট বেড়াতে আসেন। এসেই মারমেটের বিভিন্ন কর্মীর সহায়তায় আনন্দ ফুর্তিতে মেটে উঠেন। তখন বডিগার্ডরা পাশের রুমে থেকে বসকে বেশ ভালো ভাবে সঙ্গ দেয়ার চেষ্টা করেন। মারমেইডের খুব নিকটে অবস্থান উখিয়ার রেজু খাল ও কক্সবাজার লংবীচ। কক্সবাজার থেকে মারমেইড রিসোর্ট যেতে সময় লাগে ৩০ মিনিট।

পর্যটকদের কাছে জৌলুসপূর্ণ এ রিসোর্ট রয়েছে আলাদা কদর। চার পাশে সমূদ্র, সবুজ ও পূর্বদিকে পাহাড় ঘেরা এ পেঁচারদ্বীপে হাত বাড়ালেই সব মিলে। থার্টিফাষ্ট নাইটকে কেন্দ্র করে পুরো কক্সবাজার জেলায় হোটেল-মোটেল, রিসোর্স ও কটেজ গুলোতে নারী, মদ, ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজাসহ কোন কিছুরই যেন অভাব নেই। শুধু অর্ডার দিতে দেরি। এসব হোটেল গুলোতে সব টাইপের রুম রয়েছে। রুম গুলোর প্রতি রাতের ভাড়া ও আকাশ ছোঁয়া।

এখানে পর্যটকদের খাবার ও বেড়ানো জন্য সব রকমের সুবিধা রয়েছে। উখিয়া থেকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক পথে মারমেইড রিসোর্সটিতে ঢুকে জানা গেছে এসব চমক প্রদ তথ্য। ৮ একর জায়গার উপর নির্মিত দৃষ্টি নন্দন মারমেইড রিসোর্টটি। মারমেইড রিসোর্ট ম্যানেজার ইয়াছির আরফাত জানান, এ মারমেইড রিসোর্টটিতে ৩৫ জন স্টাফ ও ১৬ টি রুম রয়েছে। এখানকার পরিবেশ চমৎকার। রুম ভাড়া সহ অন্যান্য সুবিধা ভোগ করতে বাড়তি খরচ করতে হয়। দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটক আসছেন। কেউ কেউ নতুন বিয়ে করে হানিমুন করতে এসেছেন। এসেই মারমেইড রিসোর্সের পাশের সমুদ্রে নেমে গোসল করেছেন। আনন্দ ফুর্তিতে মেতে উঠছেন অনেকেই দুর-দুরান্ত থেকে যোগাযোগ করে একাকী আসছেন। এসেই নানা ফুর্তিতে মেতে থাকেন নানা সুবিধার কারণে অনেকে রুম থেকে বের হন না।

পাঠকের মতামত

সফরে বিনোদনের পাশাপাশি জীব-বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছে উখিয়া কলেজ শিক্ষার্থীরা

সফরে বিনোদনের পাশাপাশি জীব-বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছে উখিয়া কলেজ শিক্ষার্থীরা

পলাশ বড়ুয়া:: উখিয়া কলেজের বার্ষিক শিক্ষা সফর-২০২৫ সম্পন্ন হয়েছে আজ। নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে প্রায় ...