নিউজ ডেস্ক:::কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ফের জঙ্গি তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। নানা কারণে বেশক’দিন বন্ধ থাকলেও রোহিঙ্গা শিবিরের অভ্যন্তরের জঙ্গী সংগঠনগুলো ফের তাদের কর্মকান্ড আবারও শুরু করে দিয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, আর.আর.ভি.এইচ.আর (রোহিঙ্গা রিফুজী ভয়েস ফর হিউম্যান রাইটস্) সংগঠনটি এদের মধ্যে অন্যতম। জঙ্গী ভিত্তিক এ সংগঠনের সভাপতি হলেন আনোয়ার সাদেক। তিনি ছদ্ম নাম ব্যবহার করে আবু আম্মার নামে সবার কাছে পরিচয় যাহির করছেন। বিভিন্ন প্রশাসনের চাপের প্রেক্ষিতে তিনি ক্যাম্প এলাকা ছেড়ে কক্সবাজার শহরে থাকেন। আর দলটির সহ-সভাপতি হলেন মঞ্জুর মৌলভী, সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন করছেন হামিদ মৌলভী।
এছাড়াও মৌলভী শফি সহ বেশ ক’জন রয়েছেন দলটির মূল পরিচালনায়। উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবির থেকে তৎকালীন ক্যাম্প ইনচার্জ ফজলে রাব্বীর নেতৃত্বে পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা জঙ্গি আরএসও এবং ইত্তেহাতুল ইসলামের নেতা মৌলানা মোহাম্মদ ইউনুছ ও ইদ্রিসকে বাংলাদেশী পাসপোর্ট, আইডি কার্ড সহ, ১৮ ধরণের জঙ্গি তৎপরতার কাগজপত্র সহ আটক করেছিলেন।
জানা গেছে, কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের ৬ বর্গ কিলোমিটার পাহাড় বেষ্টিত এলাকা নিয়ে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের অবস্থান। উক্ত ক্যাম্পের উত্তর পাশে জনবসতী, দক্ষিণে উখিয়া টিভি রিলে- উপকেন্দ্র, পূর্ব পার্শ্বে আরাকান সড়ক এবং কিছু দূরে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এবং পশ্চিম পাশে সরকারী বন ভুমি।
অত্যন্ত স্পর্ষ কাতর এবং পাহাড়ী এলাকায় এ ক্যাম্পের অবস্থান হওয়ায় এখানে নির্ভিগ্নে চলে জঙ্গি তৎপরতার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা, নারী ব্যবসা, চোরাচালান, অস্ত্র ব্যবসা নিয়ন্ত্রন, দেশের গোপন তথ্য আদান-প্রদান, নারী শিশু পাচার, হত্যা ও ডাকাতির পরিকল্পনা সহ নানা নাশকতা মূলক কর্মকান্ডের মিশন ও নীল নকশা প্রনয়ন ক্যাম্পের অভ্যন্তর থেকে হয়ে থাকে। কতিপয় শেড মাঝি ও বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত রোহিঙ্গা র্দুবৃত্ত এসব অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রন করে থাকে। তাদের সাথে যুক্ত আছে ক্যাম্পের বাইরে অবস্থানে থাকা বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধী গ্র“প।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, এসব সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রন করার জন্য ব্যবহার করে থাকে দেশের বিভিন্ন কোম্পানীর মোবাইল, ইন্টারনেট সংযোগ সহ ল্যাপটপ কম্পিউটার, ইত্যাদি। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা রোহিঙ্গা
শরনার্থী ক্যম্পে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষনা করে অভিযান পরিচালনা করার নজির রযেছে। প্রাথমিক ভাবে কিছু কিছু মোবাইল ফোন আইন শৃংখলা বাহিনীর লোকজন আটক করলেও পরবর্তীতে অভিযান বন্ধ হয়ে যায়।
আন-রেজি:ষ্ট্রার্ড ও রেজি:ষ্ট্রার্ড ক্যাম্পের অভ্যন্তরে এসব জঙ্গি তৎপরতা বন্ধ করা হলে জঙ্গিরা সংগঠিত হয়ে যে কোন বড় ধরনের অঘটন ঘটাতে পারে বলে সূত্রটি জানিয়েছে। সূত্র কক্সবাংলা
পাঠকের মতামত