ঢাকা, , শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০১৯

একুশে পদক প্রাপ্ত পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের আর নেই

প্রকাশ: ২০১৯-১০-০৪ ১২:৩২:৩৭ || আপডেট: ২০১৯-১০-০৪ ১২:৪৪:০৪


সিএসবি২৪ রিপোর্ট ॥
বাংলাদেশের সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার উপ-সংঘরাজ, রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের অধ্যক্ষ এবং বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক একুশে পদকে ভূষিত, মিয়ানমার সরকার কর্তৃক অগ্গমহাসদ্ধর্মজ্যোতিকাধ্বজ উপাধিতে বিভূষিত পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের আর নেই।

শুক্রবার (৪ আক্টোবর) রাত ১২টা ৫০ মিনিটের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ৮৯ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (অনিচ্চা বত সংখারা… তেসং বুপো সামো সুখো)। মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন উনার শিষ্য প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু।

সত্যপ্রিয় মহাথেরের গৃহীনাম ছিল বিধু ভূষণ বড়ুয়া। সমাজসেবায় অবদানের জন্য তিনি ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত একুশে পদকে লাভ করেন।

সত্যপ্রিয় বৌদ্ধ ধর্ম বিষয়ক অনেক গবেষণাধর্মী গ্রন্থ রচনা করেছেন। তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি ত্রিপিটকের অভিধর্ম পিটকের অন্তর্গত ‘চুল্লবর্গ’ গ্রন্থ পালি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন। গ্রন্থটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

উল্লেখ্য, সত্যপ্রিয় ১৯৩০ সালের ১০ জুন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমান বাংলাদেশ) কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার পশ্চিম মেরংলোয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম হরকুমার বড়ুয়া এবং মাতার নাম প্রেমময়ী বড়ুয়া। বাবা-মায়ের তিন সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন কনিষ্ঠতম।

১৯৫০ সালে তিনি প্রবজ্যা ধর্ম দীক্ষিত হয়ে সত্যপ্রিয় নাম ধারণ করেন। পরের বছর তিনি ভিক্ষু ধর্মে দীক্ষিত হন। ১৯৫৪ সালে উচ্চ শিক্ষার জন্য মিয়ানমার পাড়ি জমান। সেখানে তিনি দশ বছর লেখাপড়া, গ্রন্থ রচনা ও সাধনা করেন। তথ্যসূত্র : উইকিপিডিয়া

Skip to toolbar Log Out