ঢাকা, , সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশকে হত্যার ষড়যন্ত্র : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-১৫ ২১:১৩:১৫ || আপডেট: ২০১৯-০৮-১৫ ২১:১৩:১৯

অনলাইন ডেস্ক: বঙ্গবন্ধুকে হত্যা শুধু ব্যক্তি শেখ মুজিবুর রহমানকে নয়, স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে হত্যার ষড়যন্ত্র ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

এর আগে সকালে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যারা স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় চায়নি, এই দেশ স্বাধীনতা পাক তা চায়নি- সেই বিদেশি চক্র এবং যারা স্বাধীনতার পরও পাকিস্তানের সাথে কনফেডারেশন করার চক্রান্তে লিপ্ত ছিলেন, তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে।’

বঙ্গবন্ধুকে চিরঞ্জীব উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকে মুছে দিতে চেয়েছিল, কিন্তু তারা তা পারেনি। বঙ্গবন্ধু ইতিহাসে অমর হয়ে রয়েছেন আর সেই ষড়যন্ত্রকারীরাই মুছে গেছে।’

সরকারের এই মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার আমলে দেশের প্রচলিত বিচার পদ্ধতিতেই ন্যায়ের প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে, কোনো জিঘাংসা থেকে নয়। তবে পলাতক খুনি ও বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের কুশীলবদের বিচার এখনো হয়নি। এ জন্য একটি কমিশন গঠন করে বিচার সম্পন্ন করা উচিত, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও বিচার প্রতিষ্ঠার উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে সিন্ডিকেট হচ্ছে কি না সাংবাদকিদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘শোক দিবসে অন্য বিষয়ে কথা বলতে চাই নাই, এ সত্ত্বেও আপনারা প্রশ্ন করেছেন বিধায়ই উত্তরে বলছি, লক্ষ্য করলে দেখবেন, দেশে গত শবছরের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির কারণে পশু কোরবানি দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সে তুলনায় ট্যানারির সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটেনি। যদিও অনেক চামড়াশিল্প প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বেড়েছে। সম্প্রতি চামড়াশিল্প মালিকরা চামড়া রপ্তানির বিরোধিতা করেছেন, সেক্ষেত্রে যদি তারা নিজেরা সব চামড়া কিনে নেবার ঘোষণা দিতেন, তাহলে চামড়া দরপতন রোধ হতো।’

ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক বিধান চন্দ্র কর্মকারের সভাপতিত্বে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক, অতিরিক্ত সচিব মো. আজহারুল হক, জাতীয় গণমাধ্যম ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক শাহিন ইসলাম, চলচ্চিত্র গবেষক রফিকুজ্জামান, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার প্রমুখ বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা করেন।