ঢাকা, , সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯

১৯ দফা দাবীতে উখিয়া কলেজ ছাত্রলীগের স্মারকলিপি

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-০৮ ২৩:২৮:০২ || আপডেট: ২০১৯-০৮-০৯ ০০:০৭:২৩


নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, উখিয়া কলেজ শাখার পক্ষ থেকে ১৯ দফা দাবীতে কলেজ অধ্যক্ষ ফজলুল করিমকে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।


আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুল আমিন টিপু’র নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময় শিক্ষক পরিষদের সহ-সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক ফরিদুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও প্রভাষক ছৈয়দ আকবর উপস্থিত ছিলেন।


দাবীতে কলেজের পড়ালেখার মান উন্নয়নে শিক্ষা বোর্ড এবং মন্ত্রণালয় নির্দেশিত নন-কলেজিয়েট এবং ডিস কলেজিয়েট প্রথা পূর্ণরূপে চালু করে কলেজের পড়ালেখার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করা। নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য (ফেল) করা কোন ছাত্র/ছাত্রীকে ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না দিয়ে কলেজের পাশের হার মান সম্পন্ন করে উখিয়া কলেজের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের দাবী জানানো হয়েছে।


শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, উখিয়া কলেজ শাখার ১৯ দফা দাবী নিন্মরূপ :

০১। শিক্ষার্থীদের কলেজ আইডি কার্ড ও ড্রেস বাধ্যতামূলক এবং মনিটরিং জোরদার করা।

০২। কলেজ ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আনা-গোনা বন্ধকরণ এবং কলেজ শিক্ষকদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

০৩। প্রতিটি ক্লাস রুমে নতুন ফ্যান, লাইট, সাউন্ড সিষ্টেম এর ব্যবস্থাকরণসহ দরজা জানালা সংস্কার করা। দেয়ালে নতুন রং লাগানোর ব্যবস্থা করে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাসে মনোযোগি হওয়ার ব্যবস্থা করা।পুরো কলেজ ক্যাম্পাসকে সি.সি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা।

০৪। প্রত্যেকটি একাডেমিক ভবনে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ওয়াশ রুম এবং ভবনে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা।

০৫। কলেজ ছাত্রাবাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন।

০৬। সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার ব্যবস্থা করা।

০৭। কলেজ লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান এবং সহকারী লাইব্রেরিয়ানের উপস্থিতি সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকাল ৩.০০ টা পর্যন্ত লাইব্রেরি খোলা রাখা। ছাত্র/ছাত্রী লাইব্রেরি ওয়ার্ক করার ব্যবস্থাকরণ নিশ্চিত করা।

০৮। উখিয়া কলেজের ৩০০০ হাজার শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ক্যান্টিন স্থাপন করা।

০৯। ইভটিজিং প্রতিরোধ কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার ব্যবস্থা করা।

১০। কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতি বৃহস্পতিবারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া ও উপস্থিত বক্তৃতা, নির্ধারিত বক্তৃতা, বির্তক প্রতিযোগিতা সহ সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা নিশ্চিত করা।

১১। কলেজের গেইটের সামনে মহাসড়কে দূর্ঘটনা প্রতিরোধকল্পে স্বীড ব্রেকার দেওয়ার ব্যবস্থা করা।

১২। কলেজে ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্যতা (ফেল) প্রতিরোধে সেশন ভাগ করে বর্তমান ইংরেজি শিক্ষকদের পাশাপাশি বিজ্ঞ খন্ডকালীন ইংরেজি শিক্ষক নিয়োগ দান করে ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য (ফেল) প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

১৩। বিএনসিসি শিক্ষকের নেতৃত্বে দলকে সক্রিয় করণের ব্যবস্থা করা এবং রোবার স্কাউটকে সক্রিয় করা।

১৪। কলেজের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে কলেজে এলাকার নিরাপত্তা বিধানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

১৫। বর্তমানে বৃক্ষশূণ্য কলেজ ক্যাম্পাসে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা।

১৬। কলেজ বাসকে সমতার ভিত্তিতে উত্তর-দক্ষিণ দিকে পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং কলেজ বাসের জন্য গঠিত কমিটিতে ছাত্র প্রতিনিধিদের অন্তর্ভূক্ত করা।

১৭। প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর অভিভাবক সমাবেশ করে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার ব্যাপারে অবহিতকরণের ব্যবস্থা করা।

১৮। নির্বাচনী পরীক্ষা, টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য (ফেল) করা কোন ছাত্র/ছাত্রীকে ফাইনাল পরীক্ষা অংশগ্রহণ করতে না দেয়া।

১৯। কলেজের যে কোন জাতীয় প্রোগ্রাম ও সাংস্কৃতি কর্মকান্ড, নবীনবরণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করার লক্ষ্যে দুই হাজার ছাত্র-ছাত্রী একসাথে বসে যে কোন অনুষ্ঠান উপভোগ করার মত একটি আধুনিক ডিজিটাল অডিটরিয়াম নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ নেতা ইমাম হোসেন, মিজানুর রহমান, ইসমাইল হাসান রানা, ওবাইদুর রহমান বাপ্পি, সিরাজুল ইসলাম আপেল, ভুট্টো বড়ুয়া, মোহাম্মদ আশেক, মোহাম্মদ আলম, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ রিফাত, মোহাম্মদ আরফাত, সাজ্জাত, সোহাগ, মোহাম্মদ শাহ জাহান, অলি উল্লাহ, রয়েল, মোহাম্মদ রাসেদ, নাভিল ওয়াজেদ, নওশাদ মীর রাসেল, ফাতেমা হোসাইন রিফা, হুমাইরা আক্তার, রিনা সালমা, নাছিমা আক্তার, তিন্নি বড়ুয়া, নীলিমা চৌধুরী প্রমুখ।