ঢাকা, , শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯

জননেত্রীর মুক্তিঃ আমাদের সাবেক ছাত্রলীগের দুই উজ্জ্বল কান্ডারী

প্রকাশ: ২০১৯-০৬-১১ ১৬:৪৮:৩৪ || আপডেট: ২০১৯-০৬-১১ ১৬:৫২:৪০


মাহাবুব আলম: আমি আজকে আমার লিখাটি পলিটিক্যাল লিখাই লিখবো। আজকে আমি আবেগে আপ্লুত। আমি আজ আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার কথা লিখবোনা । লিখবো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি সোহেল রানা টিপু ভাই এবং সাজ্জাদ সাকিব বাদশা ভাইয়ের কথা। সাবেক ছাএলীগের এই দুইজন নেতা বর্তমানে বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় সেচ্ছাসেবক লীগের গর্বিত সাংগঠনিক সম্পাদক। তাদের নেতৃত্বে সেচ্ছাসেবক লীগ আজকে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন।

এবার আমি একটু আসতে চাই ১/১১ এরপর নেএীর মুক্তি আন্দোলনে তাদের ভূমিকা নিয়ে সাধারণত আমরা সবাই জানি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ভূমিকা সব গনতান্ত্রিক আন্দোলনে থাকে।

ঠিক ১/১১ এর সময়ও আমার শ্রদ্ধেয় দুই বড় ভাই সোহেল রানা টিপু এবং সাজ্জাদ সাকিব বাদশা ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল গনতন্ত্রকামি ছাএদের নিয়ে জননেত্রীর মুক্তির জন্য প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। আর অন্যদিকে দেশে জরুরি অবস্থা চলতে থাকে, তার পরেও তারা দুইজন থেমে থাকেনি গোপন বৈঠকের মাধ্যমে সবাইকে তারা একএিত করে আন্দোলনকে বৃহত্তর পর্যায়ে নিয়ে যেতে থাকে। এর মাঝখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় খেলার মাঠে আমাদের গর্বিত সেনাবাহিনীর সাথে আমার ছাত্র বন্ধুদের বাকবিতন্ডা থেকে পরিবেশ চরম নির্লজ্জতার দিকে যেতে থাকে আর অন্য দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই গর্বিত নেতৃত্বকে সকল আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তন্নতন্ন করে খুঁজতে থাকে সারা ঢাকা শহর সহ সারা দেশ জুড়ে। কিন্তু এই নেতৃত্ব মাথা নত করার মানুষ নয়, আত্ত গোপনে থেকেই ছাএলীগ কে দিক নিদর্শনা দিয়ে যেতে থাকে।

এই দুই উজ্জ্বল নেতৃত্বের নির্দেশে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রোকেয়া হলের সামনে ছাত্রলীগ নেত্রী লিলি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ি প্রতিহত করার চেষ্টা করে কারন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কারো কাছে মাথা নত করেনা, টিপু, ভাই বাদশা ঐ সময় কি মানবেতর এবং মানসিক চাপ নিয়ে যে ভাবে জীবন যাপন করেছে তা শুধু আমরা যারা জননেত্রীর মুক্তি চেয়েছি তারাই জানি।

এবার আসি একটু অন্যদিকে, কথা হলো বিপদে আসল বন্ধু চেনা যায়, শেখর ভাই (বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য), বলরাম পোদ্দার দাদা, শাহাজাদা মহিউদ্দিন ভাই তাদের ভূমিকা ছিল ব্যাপক, অপরিসীম, সমস্ত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোক ফাঁকি নেএীর মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন তারাও।

ছাত্রলীগের অনেকেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মোস্ট ওয়ান্টেড ছিলেন জীবন বাঁচানোর জন্য আত্মগোপনে ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগ নেই। আমি সব শুনেছি, দেখেছি জননেত্রীর মুক্তির জন্য বিবৃতি দেওয়া হতো। একদিন নাকি শাহাজাদা মহিউদ্দিন ভাই বিবৃতি তৈরি করছেন আর তাতে ছিলো ছাএলীগের এক নেএীর নাম, বিবৃতিতে সেই নেত্রী তার নাম দেখে মহিউদ্দিন ভাইয়ের উপর রাগান্বিতও হয়। শুনেছি এখন ঐ নেএী নাকি ভাল পোস্টও পেয়েছেন। সেইজন্য বললাম বিপদের দিনে পক্ষে বন্ধু চেনা যায়।

অবশেষে বলবো সেই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের দুই উজ্জ্বল মেধাবী ছাত্র টিপু ভাই এবং বাদশা ভাই তাদের দুই জনের ভূমিকা ছিলো অপরিসীম কিছুতেই তা মাপা যায়ণা। তাদের দুইজনের প্রতি আমার অপার ভালোবাসা ও শুভকামনা। ছাএলীগের আরোও অনেকেই ছিলেন জননেত্রীর মুক্তির আন্দোলনে আমি সকলের নাম প্রকাশ করতে না পারায় আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

লেখক : ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, লিউঃফ্যাশন লিমিটেড। মোবাইল: ৮৮০১৭১১৩৬৭৮৭৯