ঢাকা, , বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০১৯

কক্সবাজারে পৃথক গোলাগুলি’তে ২ মাদক কারবারি নিহত

প্রকাশ: ২০১৯-০৪-১১ ১৭:৫৫:২০ || আপডেট: ২০১৯-০৪-১১ ১৭:৫৫:২৪


নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজার শহর ও টেকনাফে পৃথক গোলাগুলি’তে ২ মাদক কারবারি নিহত হয়েছে। আটকের পর অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে গেলে টেকনাফের মাদক কারবারি ও দু’গ্রুপের গোলাগুলিতে কক্সবাজারের মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। গোলাগুলিতে পুলিশের তিন সদস্যও আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র, কার্তুজ ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতের প্রথম প্রহরে টেকনাফের হোয়াইক্যং পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়া ও বুধবার দিনগত রাতে কক্সবাজার সৈকতের ডায়বেটিক পয়েন্ট এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও কক্সবাজার সদর থানার ওসি (তদন্ত) খায়রুজ্জামান এসব তথ্য জােিয়ছেন।

টেকনাফে নিহত আবুল কাশেম (৩২) হোয়াইক্যং পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার আনু মিয়ার ছেলে ও কক্সবাজারে নিহত আমির খান (৩০) কক্সবাজার পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড বিজিবি ক্যাম্প এলাকার পল্যাইন্নাকাটা গ্রামের নূর বসর জনির ছেলে ।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, দিনের আটক মাদক কারবারী ও অস্ত্র ব্যবসায়ী কাশেমের স্বীকারোক্তি মতে তাদের আস্কানায় অস্ত্র এবং মাদক উদ্ধার অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কাশেমের সহযোগিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে এএসআই অহিদ উল্লাহ (৩৯), কনস্টেবল হাবিব হোসাইন (২৩) ও তুহিন আহমেদ (২২) আহত হন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গোলাগুলি থামলে পুলিশ ঘটনাস্থল তল্লাশী করে দুটি দেশীয় তৈরি এলজি, ৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৩ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। গুলিবিদ্ধ কাশেমকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়।

ওসি আরো জানান, নিহতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। গোলাগুলি ও অস্ত্র এবং মাদক উদ্ধার ঘটনায় পৃথক মামলা রুজু হচ্ছে।

অপরদিকে, কক্সবাজার শহরের ডায়বেটিস পয়েন্ট এলাকা থেকে আমির খান নামে এক ইয়াবা কারবারি ও সন্ত্রাসীর গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ।

সদর থানার ওসি (তদন্ত) খায়রুজ্জামান বলেন, ডায়বেটিস পয়েন্ট এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হচ্ছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। পুলিশ যাবার পর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা গুলিবিদ্ধ মরদেহটি উদ্ধারের পর এটি কক্সবাজার বিজিবি ক্যাম্প এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আমির খান বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তিনি আরো বলেন, বহু মামলার আসামী আমির খান কক্সবাজার শহরে ইয়াবা চোরাচালান ও চাঁদাবাজি হিসেবে পরিচিত ছিল। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে চাঁদা আদায় করে আসা আমির খানের বিরুদ্ধে মাদক পাচারসহ নানা অভিযোগে ৭-৮ টি মামলা রয়েছে সদর থানায়।