ঢাকা, , সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রীর প্রাণ রক্ষাকারী বদির সাথে সাক্ষাত

প্রকাশ: ২০১৯-০২-০৯ ২০:৩৩:২০ || আপডেট: ২০১৯-০২-০৯ ২০:৩৫:৫৭

অনলাইন ডেস্ক: দিনটি ছিল ২০০০ সালের ২০ জুলাই। সেদিন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজ মাঠে জনসভা করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার। কিন্তু সভাস্থলে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রেখে শেখ হাসিনার প্রাণনাশের চেষ্টা চালায় হুজি নেতা মুফতি হান্নান। 

মুফতি হান্নানের সেই অপচেষ্টা সফল হয়নি স্থানীয় চা দোকানদার বদিউজ্জামান সরদারের কারণে। সেই সভাস্থলের পাশেই ছিল তার দোকান। জনসভার আগের দিন সকালে পুকুরে চায়ের কেটলি ধুতে গিয়ে একটি তার নজরে আসে বদিউজ্জামানের। দ্রুত আশপাশের লোকজনকে সেই তারটি দেখান তিনি। খবর পেয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ছুটে আসে। শুরু হয় তল্লাশি। সন্ধান মেলে ৭৬ কেজি ওজনের বোমার। 

এরপর কেটে গেছে প্রায় ১৯টি বছর। শত চেষ্টা করেও প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি বদিউজ্জমান।

সম্প্রতি উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সোহরাব হোসেন হাওলাদারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন। 

সোহরাব হোসেন হাওলাদার বলেন, গত ২৭ জানুয়ারি বদিউজ্জামান সরদারকে নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করি। তিনি সময় নিয়ে বদিউজ্জামানের সব কথা শোনেন। এরপর গত রবিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দফতরে বসে বদিউজ্জামানের হাতে ৫০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন। 

বদিউজ্জামান সরদার বলেন, দীর্ঘ ১৯ বছর আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কেউই আমাকে তার কাছে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেননি। অবশেষে সোহরাব হোসেন আমাকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার সুযোগ করে দেন। প্রধানমন্ত্রী মন খুলে আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি আমাকে ৫০ লাখ টাকার অর্থ সহায়তা করেছেন। তার এই মহানুভবতায় আমি খুশি। দোয়া করি আল্লাহ যেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভাল রাখেন।