ঢাকা, , শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯

ইন্টারনেট ও কলরেটের মেয়াদ সর্বনিম্ন ৩ দিন, ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

প্রকাশ: ২০১৯-০১-২৮ ১৯:১২:৫৪ || আপডেট: ২০১৯-০১-২৮ ২৩:৪৪:১১

অনলাইন ডেস্ক: মোবাইল ফোনের সব রকম প্যাকেজ, ব্যান্ডেল বা অফারের মেয়াদ হবে ন্যূনতম তিন দিন, যা আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রযোজ্য হবে এবং এক মাস পর নির্দেশনাটি পর্যালোচনা করা হবে। এ ছাড়া গ্রাহকের অজান্তে ইন্টারনেটের ‘পে পার ইউজ’ বিল পাঁচ টাকার বেশি করা যাবে না—এটি গতকাল রবিবার থেকে কার্যকর হয়েছে। গত ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এই নির্দেশনা জারি করে।

সম্প্রতি বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেছিলেন, মোবাইল ইন্টারনেটে সাত দিনের নিচে ডাটা প্যাকেজ বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারির পর এ নির্দেশনা কার্যকর করা হবে। ছোট ছোট প্যাকেজ অফারে অপারেটররা বেশি টাকা কেটে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে গ্রাহকদের। নির্ধারিত মেয়াদে শেষ হওয়া ডাটাও অপচয় হচ্ছে গ্রাহকদের।

২০১৬ সালে বিটিআরসির গণশুনানিতে ‘পে পার ইউজ’ পলিসি নিয়ে অনেক অভিযোগ এলে সমাধানের আশ্বাস দেয় বিটিআরসি। এরপর গত বছর ২৬ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসি ‘পে পার ইউজ’ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করে বলে ১ মার্চ থেকে নির্দেশনাটি প্রযোজ্য হবে। অপারেটরদের গড়িমসির কারণে নির্দেশনাটি পুরো কার্যকর হয়নি। এরপর গত ২৪ জানুয়ারি নির্দেশনাটি বাতিল করে আরেকটি নির্দেশনার মাধ্যমে এটি ২৭ জানুয়ারি থেকে প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। রবি ও বাংলালিংকের পক্ষ থেকে গতকাল কালের কণ্ঠকে জানানো হয়, বিটিআরসির ওই নির্দেশনা তারা আগেই কার্যকর করেছে।

২৪ জানুয়ারির নির্দেশনায় বলা হয়, মোবাইল ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ ফুরালে গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া ‘পে পার ইউজ’ পলিসিতে পাঁচ টাকার বেশি চার্জ করা যাবে না। এর আগে গ্রাহকের ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ থাকার পরও ডাটা শেষ হয়ে গেলে ‘পে পার ইউজ’ পলিসিতে প্রতি ১০ কেবি ডাটা এক পয়সা করে কাটা হতো। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের অজান্তেই এটা ঘটত। আর ডাটা ও মেয়াদ দুটিই শেষ হয়ে গেলে এই হার হতো প্রতি ১০ কেবি দুই পয়সা। এ চার্জের সঙ্গে যুক্ত হতো ভ্যাট। প্রিপেইড গ্রাহকের ক্ষেত্রে এভাবে ভ্যাট ও অন্যান্য চার্জ ছাড়াই ২০০ টাকা চার্জ করার পর এটি থামত। আর টাকা কেটে নেওয়ার পর তা ব্যবহারকারীদের এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হতো। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে বিটিআরসির চিঠিতে বলা হয়, কোনো গ্রাহক পাঁচ টাকার বেশি লিমিট নিতে চাইলে তার কাছ থেকে এমএসএস বা ইউএসএসডির মাধ্যমে সম্মতি নিতে হবে। এ ছাড়া মোবাইল অপারেটরদের এই সঙ্গে ২০টি রেগুলার অফার এবং ১৫টি প্রমোশনাল

অফারে সীমাবদ্ধ রাখতে নির্দেশনা দিয়েছিল বিটিআরসি। কিন্তু গত ২৪ জানুয়ারির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্যাকেজ/ব্যান্ডেল/ অফারের সর্বোচ্চ সংখ্যা পরে নির্ধারণ করে জানানো হবে।