ঢাকা, , শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯

আবারও অসুস্থ হয়ে আইসিইউতে ভর্তি টেলি সামাদ

প্রকাশ: ২০১৮-১২-২২ ১৪:৫৯:৫৯ || আপডেট: ২০১৮-১২-২২ ১৫:০৮:৪৭

অনলাইন ডেক্স: আবারও অসুস্থ হয়ে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়েছে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা টেলি সামাদকে। শনিবার সকালে হঠাৎ তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউতে) নেওয়া হয়। বিষয়টি জানিয়েছেন টলি সামাদের বড় মেয়ে সোহেলা সামাদ কাকলী।

এর আগে বুকে ইনফেকশন নিয়ে দুই সপ্তাহ স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। গত বুধবার সুস্থ হলে তাকে স্কয়ার হাসপাতাল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

তবে তার মেয় কাকলী সেসময় আমাদের সময় ডট কমকে জানিয়ে ছিলেন, বাবা (টেলি সামাদ) আগের থেকে অনেকটা সুস্থ আছেন। রক্তের প্লাটিলেট কমেছিলো সেটা স্বাভাবিক অবস্থায় আছে। তবে ওষুধ দেয়ার পর সেরে উঠছেন বাবা। দুই একদিনের মধ্যেই তাকে বাসায় নিয়ে যাব।
ডায়াবেটিস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. প্রতীক দেওয়ানের তত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে টেলি সামাদের।

চিকিৎসকরা তার সুস্থতার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন উল্লেখ করে কাকলী চিকিৎসকদের বরাদ দিয়ে জানান, ‘তার বুকে ইনফেনশন আছে। এছাড়া রক্তের প্লাটিলেট কমে যাচ্ছে। তার সুস্থতায় পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।’

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা টেলি সামাদকে এর আগে ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাইপাস সার্জারি করা হয়। এর পর ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি কিছুটা সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন। দেশে আসার পর অক্টোবরে ও নভেম্বরে দুই দফা এই স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল টেলি সামাদকে। গত বছরের ২০ অক্টোবর জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল তার বাঁ পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলি সমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বলে এখনও তার পরিবার গভীরভাবে স্মরণ করে। এরপর তিনি সুস্থ হয়ে উঠেন।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অত্যন্ত শক্তিশালী ও জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা টেলি সামাদের জন্ম ২০ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জ শহরের পাশের নয়াগাঁও গ্রামে। সাংস্কৃতিক পরিম-লে বেড়ে ওঠা টেলি সামাদের বড়ভাই বিখ্যাত চারুশিল্পী আব্দুল হাইয়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করে পড়াশোনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায়। সংগীতেও রয়েছে এই গুণী অভিনেতার পারদর্শিতা। ‘মনা পাগলা’ ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন তিনি। ১৯৭৩ সালে ‘কার বউ’ দিয়ে তার চলচ্চিত্রে পা রাখা। চার দশকে ৬০০ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।