ঢাকা, , সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮

রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও সবদিক দিয়ে সহযোগিতা দেবে যুক্তরাষ্ট্র : মিলার

প্রকাশ: ২০১৮-১২-০৫ ২১:২৭:১৩ || আপডেট: ২০১৮-১২-০৫ ২১:২৮:৩১

 
নিজস্ব প্রতিবেদক::
মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার বলেছেন, একসঙ্গে বাস্তুচ্যুত বিপুল পরিমাণ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিতে গিয়ে সীমান্ত এলাকার পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু মানবিক সহযোগিতা কেবল রোহিঙ্গাদেরই দেয়া হয়েছে এতদিন। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও সবদিক দিয়ে সহযোগিতা দেয়া দরকার। এরই অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে সূর্যের হাসি ক্লিনিক নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছে। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি কক্সবাজারের জনগণের জন্যও যুক্তরাষ্ট্র সরকার এ সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজারে বেসরকারী সূর্যের হাসি ক্লিনিক পরিদর্শণ শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার এসব কথা বলেন।
বুধবার দুপুরে ওই ক্লিনিক পরিদর্শনে যান তিনি। প্রায় ঘন্টা ব্যাপী পরিদর্শনে তিনি ক্লিনিকের নানা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।
যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত এ ক্লিনিকের কার্যক্রম দেখে সন্তুষ প্রকাশ করেন তিনি। তাই ক্লিনিকের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও যুগোপযোগি করার আশ্বাস দেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির মেম্বার ও হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এইচকে আনোয়ার, হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী, পরিবার পরিকল্পনা ইন্সপেক্টর  হাসান টিটুর সাথে ক্লিনিকের কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেন তিনি।
এ সময় মিশন ডিরেক্টরের ডেরিক ব্রাউন, সিওপি সিনিয়র ড. সুকুমার ও জেমস্ এল গ্রিফিন এনটিএস আব্দুল মতিন ও শেখ নজরুল ইসলাম এবং ক্লিনিক ম্যানেজার অজয় কুমার চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
পরে তিনি টেকনাফের লেদা, নয়াপাড়া শালবন ও  শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে কক্সবাজার শহরে ফিরেন। ৩ দিনের সফরে গত মঙ্গলবার কক্সবাজার আসেন তিনি। বৃহস্পতিবার তিনি কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশে আসেন রবার্ট মিলার। ক্রিডেনশিয়াল বা পরিচয়পত্র পেশের আগ পর্যন্ত তিনি ‘ফাংশনাল’ কোনো কাজে যুক্ত ছিলেন না। অনানুষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগতভাবে তিনি ঢাকার বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা ঘুরে দেখেন। কূটনৈতিক জোনে অনেকের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং দেখা-সাক্ষাৎও হয়েছে তার। পরিচয়পত্র পেশের পর কক্সবাজার সফরই তার প্রথম পাবলিক ফাংশন।