ঢাকা, , বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০১৯

প্রচেষ্টা

প্রকাশ: ২০১৮-০১-০২ ২১:২৬:২৪ || আপডেট: ২০১৮-০১-০২ ২১:২৬:২৪


বিশ্বজীৎ বড়ুয়া

মঙ্গল গজের অস্ফুটপ্রেমে, ধরায় বর্ষিল শোভা,
অনন্ত মহিমায় ষোড়শ তেজরশ্নি হইল মুক্ত
খুল্লতাতের অম্লান বাসনা হইলে পূর্ণ,
তারই অর্ধাঙ্গিনী লইলে পোষণ।

নিষ্টুর ধরায় বাচিবার, বাসনা সকলের হয়না,
শীর্ষ বাতায়ন পানে আরোহিয়া।
অপরের ক্লান্তি করিতে দূর,চেপেছে মঙ্গলঘট
তার লাগি সেবিছে মানব আপন জীবন সপিঁয়া।

সতী মায়ের উন্মাদনা,বসায় মোরে ক্রন্দন পিড়িতে
দুমুঠো অন্নের বেদন পেয়েছি নিষ্ঠুর ভুমে।
যার লাগি ঝরে সদা লোচন জল,
বিনিদ্র রজনী দিয়াছি পাড়ি সাগর অতল।

ওহে পাষন্ড প্রভু এ!কি ছিল মোর ললাটে,
কেন ঘটালে সন্ধি অভাগিনীর ওরশে।
হিয়ার অন্তরালে ডুবিয়া টলে মম স্পন্দন
জানিনু কবে ঘটিবে ইতি পথিকের আবেশে।

উন্মুক্ত বারিধারায় বিবর্ণ বসনে পান্ডুর মম মন্ডল
জোটেনা অন্ন মিঠে না ক্ষুদা,নি:স্ব মম জীবন,
ললাটের লিখন যায়না মুছন,
নির্মম পরিহাসে ভাগ্যের পরিবেদন।

ও হে দয়াল, দর্শিতে চাহে মুক্তির মন্দির,
মমতাময়ীর সোপানতলে।
যেখানে মিশেছে অহিংসার নির্ঝর জয়গান,
নির্বাক মনের প্রবাহিনীর তটে।

শোন হে দাতা, সৃষ্টির মাঝে বাচিবার চাই,
দাও হে ঠাঁই জলধির কিনারে।
শিকারী যেন না লভে মম তনু
সুমধুর তরঙ্গে তুলিবার চাই তুমি মোর মনু।

বাচিঁবার মিনতি করি -রে দয়াল,মুক্তি দাও গো মোরে,
আর কতো-কাল থাকব দুয়ারে দন্ডিয়া
রাশি রাশি বেদনার মেঘে তোমারি পরশে
পেলাম ভঙ্গুর আলয় ধূ-ধূ বালির চরে।

দিবা-শর্বরী করিছে যাপন, প্রস্তর দেহখানি
উতরাই করিছে যজ্ঞ আপন বালির কুঠিরে।
ও-হে দয়াময় আপদে মোরে কর রক্ষা,
হইলে মুক্ত পূজিব তোমায় আপন মনোমন্দিরে।

বি:দ্র:#কাকড়ার_উপমায়_হতদরিদ্র_মানুষের_জীবনরুপের_প্রকাশ।(একবেলা খেয়ে আরেক বেলার চিন্তা যাদের নিত্য) এই লেখনী আপনার মনে যদি সামান্য দোলা দিতে পারে তাহলে আমার চিন্তনশ্রম সার্থক হবে।