ঢাকা, , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০

সাবেক ওসি প্রদীপের ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ২০২০-০৯-২৬ ১১:১৩:৫৮ || আপডেট: ২০২০-০৯-২৬ ১১:১৩:৫৮

সিএসবি২৪ ডেস্ক:
কক্সবাজারেরর টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের অপরাধ কর্মের ‘ইন্ধনদাতা’ হিসেবে চিহ্নিত করে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন কারামুক্ত সংবাদকর্মী ফরিদুল মোস্তফা খানের ছোট বোন ফাতিমা খানম। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় অপহরণ, ডাকাতি, জোরপূর্বক স্ট্যাম্প আদায়সহ বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মাসুম খান মামলাটি রেকর্ড করেন।

আসামিরা হলেন- টেকনাফের ফুলের ডেইলের মৃত তজর মুল্লুকের ছেলে আবুল কালাম ওরফে আলম, হ্নীলা নয়াবাজার পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মফিজ আহমদ ইকবাল ওরফে গুটি মফিজ, ফুলের ডেইলের মৃত আবুল খায়েরের ছেলে জহিরুল ইসলাম, একই এলাকার মৃত আবুল বশরের ছেলে দলিলুর রহমান, পানখালীর মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে সরওয়ার কামাল, ফুলের ডেইলের শরাফত আহমদের ছেলে নুরুল আবছার ও মৃত আবুল বশরের ছেলে রফিকুল ইসলাম।-আমাদের সময়।

বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মাদকের বিরুদ্ধে লেখালেখির কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ওসি প্রদীপদের সঙ্গে আঁতাত করে গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে তার বড় ভাই সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফাকে অস্ত্রের মুখে তুলে এনে ব্যাপক নির্যাতন চালায়। এরপর সাজানো মামলা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠায়। গত ২৩ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে আকস্মিকভাবে আসামিরা বাদীর কক্সবাজার শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার বাসায় সশস্ত্র অবস্থায় দরজা ভেঙে প্রবেশ করে।

এ সময় তারা বাদীর অপর এক বোনকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে। এ ছাড়া মুখে কাপড় ঢুকিয়ে দিয়ে মাটিতে ফেলে রাখে এবং বাদী ও তার ছোট বোনের পাঁচ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, ৭৫ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল সেট ও বাড়ির জরুরি কাগজপত্র লুট করে।

এরপর আসামিরা বাদীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে তিনশ টাকার একটি ননজুডিশিয়াল খালি স্ট্যাম্পের শিরোভাগে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে ঘটনার বিষয়ে কাউকে বললে পরিনাম ভয়াবহ হবে বলে হুমকি দেয়। আসামিরা টেকনাফ থানার সাবেক ওসির দালাল, মাদক কারবারি ও প্রভাবশালী হওয়ায় এবং প্রতিনিয়ত বাদী ও তার পরিবারকে নজরদারিতে রাখার পাশাপাশি বড় ভাই ফরিদুল মোস্তফা কারাগারে থাকায় এবং প্রশাসনিকভাবে অনুকূল পরিবেশ না থাকায় মামলা দায়েরে বিলম্ব হয়।

কক্সবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মাসুম খান বলেন, ‘সংঘটিত ঘটনার বিষয়ে বিলম্ব হলেও মামলা রেকর্ড হওয়ায় আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।